প্রিয় বর্ষা,
আমি চৈত্র, মনে পড়ে কি ?
আমার আকাশে মেঘ ছিলনা,
মেঘমুক্ত আকাশে আমি ছিলাম স্বাধীনতার পরী ।
আমার হাসিতে-কলকল ধ্বণিতে বয়ে যেত সবুজের মাঝে নি:সঙ্গ এক ঝর্ণা ধারা ।
একদিন কোন এক মধ্যাহ্নে আমার সেই হাসির রেশ কোথায় এসে মিলেছে তা খুঁজতে খুঁজতেই তোমার জীবনে আমার আবির্ভাব ।
তারপরতো সবই তোমার জানা ।
আমার মেঘমুক্ত আকাশে তুমি ঘটালে মেঘের ঘনঘটা ।
একদিন যে হাসির টানেই তুমি আমার জীবনে এসেছিলে, তোমার হৃদয়ে আমাকে পেয়েছিলে;
করে দিলে সে হাসি মানা ।
ভয় পেয়েছ বুঝি ?
যদি অন্য পুরুষও সেই হাসির অনুরণনে মোহিত হয়ে তার হৃদয়ের কোন এক গোপন কোটরে আমায় আবিষ্কার করে বসে,
ঠিক তোমারি মতন ।
হায় !
তারপরও তোমার সুখ নেই ।
ওই নিষিদ্ধ জিনিষই তোমার চাই ।
কিন্তু সবার জন্য নিষিদ্ধ করে যা তুমি একান্ত নিজের করে পেতে চেয়েছিলে তা যেন কোথায় মিলিয়ে গেল!
এতো রোমান্টিক-প্রকৃতিপ্রেমী তুমি কি করে ভুলে গেলে !
প্রকৃতির কোল থেকে ফুলকে ছিনিয়ে নিয়ে কোটায় পুরলে না থাকে তার গন্ধ আর না সৌন্দর্য্য ।
উল্টো সে ফুল মরে হয়ে যায় বিভত্স ।
আমিও যে সেই ফুলের মতই অসহায় ।
তোমার কোটায় তাই আজ আমিও বিভত্স;
বড় বেশী বিভত্স ।।
No comments:
Post a Comment