সে আছে; তার হাসি আছে, অশ্রু টলমল জোড়া চোখ আছে, বুক ভরা দীর্ঘশ্বাস আছে, নৈসর্গিক ভালোবাসাও আছে ।
সে ছিল; তার অভিমান ছিল, সিক্ত চুলের ঘ্রাণ ছিল; যা আবিষ্ট করে রাখত এক ভয়ংকর মত্ততায় !
হঠাত্ সে নেই;
তার চঞ্চল চরণের পদাঙ্ক নেই,
মৃদু ছন্দ নেই, শ্বসন-নিশ্বসনের তপ্ত ব্যজন নেই,
আলিঙ্গনের উষ্ণতা নেই ।
কিন্তু তবুও সে আছে, তার সব আছে;
কেবল তার বাস্তব অস্তিত্ব নেই।
হাত বাড়ালেই সে মরীচিকা, সে কেবলই এক আকাশ দু:খ;
সে হলো শুন্যতা ।
তার স্মৃতিরা হানা দেয় সময়-অসময়ে আর কাঁদায় অঝরে ।
সে নেই; কখনোই ছিল না।
তার হাসি কেমন জানা নেই,
তার স্বরের সুরটাও অজানা,
জানা নেই তার আবক্ষের গড়ন-অক্ষের শীতল দৃষ্টির প্রগাঢ়তা ; কিছুই জানা নেই ।
মাঝে মাঝেই কল্পনায় তার আবির্ভাব হয়, আবার চলেও যায় । তাকে ভাবতে ভালো লাগে,
কিন্তু তার জন্য কষ্ট হয়না কখনই; তার কোন স্মৃতি নেই ,
এটা একাকিত্ব ।
একাকিত্ব সহনীয় কিন্তু শুন্যতা অসহনীয়।
যা অদেখা-অশ্রুত-অজানা; তা ভাবা যায়, ভাবতে ভালোও লাগে।
অথচ যা একবার জানা হয়ে গেছে-পাওয়া হয়ে গেছে; তা হঠাত্ হারিয়ে গেলে সৃষ্টি হয় শুন্যতার, যার অনুভূতি সত্যিই ভীষণ ভয়ংকর ।
তাই প্রকৃতির কাছে চাওয়া; যা দাওনি, তা কখনো দিও না;
আর যা দিয়েছো, তা কখনো ছিনিয়ে নিওনা ।।
No comments:
Post a Comment